প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ১০ কিলোমিটার ধরে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কুমিল্লার আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোডের বিভিন্ন জায়গায় যানবাহনের গতি কমেছে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মহাসড়কে চলমান সংস্কারকাজের কারণে যানবাহনের গতি হ্রাস পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন অংশের বেহাল দশায় যাত্রী ও চালকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে উঠেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রতিদিন ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। কুমিল্লার প্রায় ১০৪ কিলোমিটার মহাসড়ক অংশের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ধীরগতিতে চলা সংস্কারকাজের কারণে যানজটের মাত্রা আরও বাড়ছে।
মঙ্গলবার কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন ব্যবসায়ী আরাফাত ইসলাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এক ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। এর আগেও একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া সম্পর্কে আমার দেশকে জানান, আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সকাল থেকে মেরামতকাজ চলমান রয়েছে। এজন্য মহাসড়কের যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চালক ও যাত্রীরা দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করার পাশাপাশি মহাসড়কের খানাখন্দ সংস্কার ও যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন