প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের সংসদীয় কূটনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের (আসন-২৭) সাংসদ ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী এমপি। গত সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।
সংসদ সূত্রে জানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সম্মতির ভিত্তিতে চিফ হুইপ সংসদে এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। মৌলভীবাজারের বড়লেখা অঞ্চল থেকে প্রথম নারী সংসদ সদস্য হিসেবে ইতিহাস গড়ার পর, তিনি এবার নতুন গুরুত্বপূর্ণ এই স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী রাজনীতিতে যোগদানের পূর্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান 'বাংলালিংক'-এর ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (ডেপুটি সিইও) হিসেবে দীর্ঘকাল অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়নে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
তিনি শিক্ষা ও পেশাগত যোগ্যতায় অত্যন্ত সমৃদ্ধ এক ব্যাকগ্রাউন্ডের অধিকারী। যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি (বার-অ্যাট-ল) ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর এই গৌরবময় অর্জনের পেছনে রয়েছে এক গভীর রাজনৈতিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য। তিনি মৌলভীবাজারের ৪ বারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর সুযোগ্য কন্যা। বাবার হাত ধরে এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের পথ ধরে তিনি আজ জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন।
সংসদীয় কূটনীতিতে নতুন মাত্রা: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক গভীর জ্ঞান ও বহুজাতিক প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা দেশের সংসদীয় কূটনীতিতে নতুন গতিশীলতা আনবে। বর্তমানে জটিল বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে তার এই করপোরেট ও আইনি ব্যাকগ্রাউন্ড অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কৃতি সন্তানের এই গৌরবময় অর্জনে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন