প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লায় ট্রেন লাইচ্যুত হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের আপলাইনে ট্রেন চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়। এরপর রেললাইন মেরামতের কাজ শেষ করে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগিগুলো লাকসাম রেলওয়ে জংশনে নিয়ে আসা হয়। এর ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানীর ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার মো. ওমর ফারুক ভূঁইয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কর্ণফুলী ট্রেনটি নাঙ্গলকোটের নাওটি এবং লাকসাম উপজেলার আজগরা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে লাইচ্যুত হয়। এই ঘটনায় ইঞ্জিনসহ চারটি বগির চাকা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে যায়। ফলে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হন এবং পরে তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
এদিকে, দুর্ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা পর বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম থেকে আসা রিলিফ ট্রেন উদ্ধার কাজ শুরু করে। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে রেলওয়ের ফেনীর জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম সারোয়ারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ট্রেন লাইচ্যুতের সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদকে প্রধান করে একটি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু ইমতিয়াজ রাফি, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মাসুদ এবং বিভাগীয় সিগন্যাল ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আশিকুর রহমান।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ও তদন্ত কমিটির প্রধান ফারহান মাহমুদ বলেছেন, ‘দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় যাদের দায়ী পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে রেলওয়ের আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন