প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ইন্দোনেশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করার জন্য কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আগ্রহ রয়েছে।
বুধবার, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি। সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, কনস্যুলার বিষয় এবং উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতার বিষয়ও উঠে আসে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবা আমদানি বৃদ্ধির আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, "বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমুখী করতে বাংলাদেশ সিইপিএর দিকে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।"
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার অনুরোধও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, এটি পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে তার দেশের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে, বাংলাদেশের ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্য ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
হুমায়ুন কবির প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি এ বিষয়ে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উত্তম চর্চা ভাগাভাগি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়া, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের এসব উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান।
বৈঠকে দুই পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন