প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রবাসীদের অধিক বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, সিলেট বাংলাদেশের একটি গর্বিত অঞ্চল। এই অঞ্চলের জনগণ বিভিন্ন সময় দেশের নেতৃত্ব প্রদান করেছে এবং জাতিকে পথ দেখিয়েছে। সিলেটের আলাদা সংস্কৃতি রয়েছে এবং সিলেটের চা বাগানের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে প্রসারিত। সিলেটের প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। সিলেটের মানুষ শান্তিপ্রিয় এবং প্রতিবাদী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগর ভবনে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল এই আহ্বান জানান।
গণতন্ত্রের সংগ্রামকে ফিনিক্স পাখির সঙ্গে তুলনা করে প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি প্রায়ই আপনাদের বলতাম- আমরা যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করি, তারা অনেকটা ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যায়, সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।”
গণতন্ত্র রক্ষাকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পেয়েছি। গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, দেশের সরকারি দল ও বিরোধী দলের উভয়ের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা। পাশাপাশি জাতীয় সংসদকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা, রক্তপাত এবং মানুষের প্রাণের বিনিময়ে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে একটি ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে এখানে সরকার গঠন হয়েছে। এই সরকার চেষ্টা করছে অতিদ্রুততার সঙ্গে দেশকে কী করে একটা ভগ্নস্তূপ থেকে আবার জাগিয়ে তোলা যায়।”
প্রেসিডেন্ট বলেন, “সংসদকে ফাংশনাল করা হবে প্রধান দায়িত্ব। তাকে যেন কাজ করে ঠিকমতো, সেইভাবে কাজ করার চেষ্টা করা। অন্যান্য বিষয়গুলোতে দ্বিমত থাকতে পারে। সেই দ্বিমতগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কিন্তু সমাধান করা সম্ভব।”
আজ বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানান। এরপর নির্ধারিত কর্মসূচি পালন শেষে তিনি সিসিকের নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন