প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মৌচাক এলাকার একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক ও মহানগর দক্ষিণের সদস্য বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার রিয়াজুল হাসানের পাঁচ দিনের এবং আল আমিন মাহিন নামে আরেক আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
বুধবার (১০ জুন) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামিদের রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
এই দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর শামসুদ্দোহা সুমন আসামিদের জন্য সর্বোচ্চ রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। অপর দিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।
পরে আদালত রিয়াজুলের জন্য পাঁচ দিনের এবং আল আমিনের জন্য চার দিনের রিমানন্ডের আদেশ প্রদান করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন।
এর আগে, সোমবার (৮ জুন) রাতে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে ভাগ্নেকে মারধরের ঘটনায় সালিশ বৈঠকে এসে বিল্লাল নির্মমভাবে ছুরিকাঘাতে নিহত হন।
নিহত বিল্লালের ভাগ্নে মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, সোমবার সন্ধ্যা সময় আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন যুবক তাকে প্রথমে মারধর করে। পরে তিনি ঘটনাটি তার মামা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে জানান। এরপর বিল্লাল সেখানে আসেন। রাত ৮টার দিকে ওই মারামারির ঘটনায় বসা সালিশ বৈঠকে বিল্লালের সঙ্গে যুবদলের রমনা থানার বর্তমান আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও সেক্রেটারি লুৎফরের বাকবিতণ্ডা হয়। এর পর বাবুর নেতৃত্বে তার অনুসারী মিরাজ বিল্লালের বুকে ছুরিকাঘাত করে। ছুরির আঘাতে বিল্লাল সঙ্গে সঙ্গেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত বিল্লাল হোসেন মালিবাগ বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং পেশার ক্ষেত্রে বালু ও সিমেন্টের ব্যবসায়ী ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং রমনা থানার কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন