প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন সকল পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করে সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় শিশুদের খেলার মাঠ, শহীদ মিনার ও পার্ক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিএনসিসির আওতাধীন পার্ক ও খেলার মাঠগুলো দখলমুক্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দ্রুত সময়ের মধ্যে মিরপুরের এই পার্ক ও খেলার মাঠটি সংস্কার করে উদ্বোধন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ডিএনসিসির আওতাধীন সব পার্ক ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করে সংস্কার, পরিচ্ছন্ন ও জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন পার্ক, খেলার মাঠ, মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়ন এবং ঢাকা-১৫ আসনকে ‘ক্লিন ও গ্রিন’ করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
পার্ক ও মাঠের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে, জানিয়ে প্রশাসক বলেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি মাঠের সংরক্ষণ ও দেখভালের দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরো জানান, আগামী দেড় মাসের মধ্যে পার্ক ও খেলার মাঠটি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পার্কটি এলাকাবাসীর জন্য খোলা থাকবে। সন্ধ্যার পর তা বন্ধ রাখা হবে।
শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘খেলার সময় খেলবে, আবার সন্ধ্যার পর পড়াশোনার জন্য ঘরে ফিরতে হবে। পড়াশোনা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
পার্কে কোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের আড্ডা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
মিরপুর-কাফরুল এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ২২ নম্বর টেকী খাল উদ্ধারের উদ্যোগের কথাও জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হওয়ার আগেই খালটি স্থায়ীভাবে উদ্ধার করে এর চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং নৌযান চলাচলের উপযোগী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
মেট্রো রেলের পিলারে লাগানো অবৈধ পোস্টার অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পোস্টার অপসারণের পর সেখানে গ্রাফিতি আর্ট ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক চিত্রায়নের কাজ শুরু করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয়ে অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় থানা-পুলিশের কর্মকর্তা এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন