প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তান জানিয়েছে যে, সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের পরিধি সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। ইসলামাবাদে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একটি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তিটি মূলত ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট’। মুখপাত্র জানান, জোটের সম্প্রসারণের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনায় নেই।
মুখপাত্র আরও বলেন, এই জোট সুসংহত হওয়ার পর ‘সমমনা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী অন্যান্য দেশের জন্য’ এর দরজা উন্মুক্ত হবে। তিনি জানান, এই কাঠামোর আওতায় সদস্য দেশগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। জোটের সম্প্রসারণের বিষয়ে দেশগুলো পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, ভবিষ্যৎ বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য ‘পর্যায়ক্রমে’ জানানো হবে, তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি। খান জানান, চুক্তিটি গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর ‘কাঠামো, কার্যপদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয়’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সংগঠনটির কাঠামো, কার্যপ্রণালী ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে।
গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তির উদ্দেশ্য হলো, সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা এবং সদস্য দেশগুলোকে এমনভাবে সক্ষম করে তোলা, যাতে তাদের কোনো একটির ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে জোটের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, চুক্তির আওতায় জোটের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তার জন্য সৌদি আরবে একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রাথমিকভাবে পাকিস্তানের একজন মহাসচিবের নেতৃত্বে এই সচিবালয়টি পরিচালিত হবে, যার মেয়াদ হবে তিন বছর।
সূত্র: ডন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন