প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত সব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে ইউজিসি ও ইউএন উইমেনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় এ সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং ইউএন উইমেনের পক্ষে বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং এতে স্বাক্ষর করেন।
ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে না। কমিটি শুধু গঠন করলেই হবে না, প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করে সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ইইউ প্রতিনিধিদলের ডেপুটি হেড বেইবা জেরিনা নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিরাপদ এবং বৈষম্যহীন শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
এই সমঝোতার আওতায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং এআইইউবি—এই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ কাজে ইউএন উইমেন এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র যৌথভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের জরিপের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের ১৬ শতাংশই প্রযুক্তির মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য এবং ইউএন উইমেনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন