প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর মাধবদীতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ১৬ বছর বয়সী এক নারী শ্রমিক একটি টেক্সটাইল মিলের, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৩ জুন) রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়ার পৌলানপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
পরে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভুক্তভোগীর পিতা দুজনকে আসামি করে মাধবদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ মাহাবুব নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া মাহাবুব পৌলানপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। অপর অভিযুক্ত মোশাররফ মিয়া একই গ্রামের মোতালিব মেম্বারের ছেলে, বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৈতাব এলাকার একটি টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিল। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মোশাররফ তাকে ‘কথা আছে’ বলে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে মোশাররফ ও মাহাবুব মিলে তাকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে মোশাররফ পালিয়ে যায়। তবে মাহাবুবকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন, ধর্ষণের পর তার মোবাইল ফোন রেখে দিয়ে টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরে তিনি বাড়ি থেকে দুই হাজার টাকা এনে দিলে মোবাইলটি ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় অভিযুক্তরা দাবি করে তাদের কাছে ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়।
লোকজনের মধ্যে দাবি উঠেছে, অভিযুক্ত দুজন এলাকায় মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চুরি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও আছে।
এ বিষয়ে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেছেন, ভুক্তভোগীর পিতার দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অপরজনকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন