প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ২০২৭-এ মূল বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উক্ত আমন্ত্রণপত্রটি হস্তান্তর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের আওতায় টেকসই অবকাঠামো, ডিজিটালায়ন, জ্বালানি, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মিলার ইউরোপীয় কমিশনের রসহসভাপতি এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক ইইউর উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)’র ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দনপত্রও হস্তান্তর করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কের নানা বিষয়গুলি পর্যালোচনা করা হয় এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এসময় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ইইউ বিজনেস ফোরাম ২০২৭, আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও বৈঠক, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-এর সম্ভাবনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় সম্পর্কেও মতবিনিময় করা হয়।
আলোচনায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জাতিসংঘ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের তৃতীয় আসর আগামী ২০২৭ সালের ৮ ও ৯ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ইউরোপীয় কমিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বেসরকারি খাতের নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।
এর লক্ষ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈশ্বিক সংযোগ ও অবকাঠামো বিনিয়োগ কৌশলকে এগিয়ে নেওয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন