প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা এবং উপস্থিত লোকজন। আটককৃতদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ইসরাফিল রতন ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, "সংঘবদ্ধভাবে আট থেকে নয়টি ককটেল ফোটানো হয়েছে।" ক্যাম্পাসের টিএসসি, নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেট, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সন্ধ্যার সময় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর পর দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়। এ সময় উপস্থিত লোকজন তাদের মারধর করেন। পরে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) এবং নাজমুস সাদ (৩৩)। রেজাউলের বাড়ি নাটোর জেলায়, সোহেলের বাড়ি রাজশাহীতে এবং নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন