প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ট্রেনের চালক লাল সিগন্যাল (Red Signal) দেখে সতর্কবার্তার প্রতি মনোযোগ না দিয়ে উল্টো গতি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্ত শাখার (RAIB) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
১৯ জুন তারিখে লন্ডনের উত্তরে বেডফোর্ডশায়ারের এলস্টো (Elstow) এলাকায় ইস্ট মিডল্যান্ডস রেলওয়ের (EMR) দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই দুর্ঘটনায় করবি (Corby) থেকে লন্ডন সেন্ট প্যানক্রাসগামী ট্রেনের চালক শন বার্টন (৬০) নিহত হন এবং ১০২ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সংঘর্ষের ফলে উভয় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়। ঘটনার সময় দুটি ট্রেনে প্রায় ২৫৭ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চালক শন বার্টন সংকেত পাওয়ার পরও ট্রেনের গতি কমাননি, বরং ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৬ মাইল (প্রায় ১২২ কিমি) পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। অপর থেমে থাকা ট্রেনটির মাত্র ২০০ মিটার দূরত্বে পৌঁছানোর পর (যা সংঘর্ষের মাত্র ১০ সেকেন্ড আগে) তিনি জরুরি ব্রেক চাপেন। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যায় এবং ঘণ্টায় ৭৫ মাইল গতিতে অন্য ট্রেনটির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, সামনের নটিংহাম থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি কারিগরি ত্রুটির (অটোমেটিক ওয়ার্নিং সিস্টেম বা AWS) কারণে লাইনে হঠাৎ থেমে গিয়েছিল। এর ফলে পেছনের সিগন্যালটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল হয়ে যায়।
কেন অভিজ্ঞ এই চালক লাল সংকেত দেখার পরও ট্রেনের গতি বাড়ালেন এবং ট্রেনের অটোমেটিক ব্রেকিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছিল কি না—এগুলো গভীরভাবে অনুসন্ধান করছে তদন্তকারী দল RAIB। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন