প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ১১ জন রোহিঙ্গাসহ মোট ৫০ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এই অভিযান চলাকালে পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত ৯ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে এবং পাচারে ব্যবহৃত ট্রলারটিও জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এখানে বিষয়টি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে স্টেশনটির ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী বলেন, আটক ৯ পাচারকারী টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন এবং ৩৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
মুত্তাকীন সিদ্দিকী আরও জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার সময়ের ঘটনা। টেকনাফের সমুদ্র উপকূল দিয়ে সাগরপথে ট্রলারে করে তাঁদের মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পরই কোস্টগার্ড তাদের সতর্ক হয়ে যায়। এরপর টেকনাফের সমুদ্র উপকূলের সব পয়েন্টে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। একপর্যায়ে বাহারছড়া উপকূলবর্তী সাগরে একটি সন্দেহজনক ট্রলার দেখা যায়, পরে তাকে থামার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত ট্রলারটি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে ট্রলারটি জব্দ করা হয় এবং সেখান থেকে ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পাচারকারিদের মধ্যে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা বলেন, সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসে। পরে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পাচারকারীরা উদ্ধার ভুক্তভোগীদের সাগরপথে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা করতে ছিল।
আটক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী টেকনাফ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন