প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুদানে চলমান যুদ্ধ নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকার প্রতিবাদ জানাতে লন্ডনে বিক্ষোভে মুখোমুখি হয়েছেন দুবাইয়ের শাসক ও আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুম। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই ঘটনা ঘটে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুম নাইটসব্রিজ এলাকায় সফরসঙ্গীদের সঙ্গে হাঁটা অবস্থায় এক সুদানি নাগরিক তাকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। প্রতিবাদকারী আল-মাকতুমের বিরুদ্ধে সুদানের বেসামরিক মানুষ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন এবং তিনি দেশটিতে রক্তপাত বন্ধের দাবি জানান। একই সাথে, সুদানের চলমান সংঘাতে আমিরাতের ভূমিকার সমালোচনাও করেন তিনি।
এ সময় মাকতুমের সফরসঙ্গীদের মধ্যে একজন প্রতিবাদকারীর দিকে এগিয়ে যান। তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ভিডিওতে ওই সফরসঙ্গীকে প্রতিবাদকারীর উদ্দেশে অশালীন ও বর্ণবাদী মন্তব্য করতে শোনা যায়। পরে তিনি রাস্তা পার হয়ে সরাসরি প্রতিবাদকারীর মুখোমুখি হন।
সুদানের সংঘাতে দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে প্রতিবাদকারী আমিরাতের ভূমিকার সমালোচনা করেন। উল্লেখ্য, সুদানে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর মধ্যে সংঘাত ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলছে। এ দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
সাবেক সময়ে আরএসএফকে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ বরাবরই সংযুক্ত আরব আমিরাত অস্বীকার করে এলেও জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিবেদনে আরএসএফকে তাদের অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার, লিবিয়া, চাদ ও সোমালিল্যান্ড হয়ে আরএসএফের কাছে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ নিয়েও অতীতে আলোচনা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে, সুদানের যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক চলমান থাকলেও লন্ডনের রাস্তায় দুবাইয়ের শাসককে ঘিরে এই প্রতিবাদ হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন