প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার ভিসার আবেদনকারীদের দালালের খপ্পরে পড়ে হয়রানি ও জটিলতায় না জড়াতে পরামর্শ প্রদান করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, আবেদনকারীদের নিজস্বভাবে ভিসার আবেদন করতে হবে এবং দালালের সহায়তা না নিয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা উচিত। সময়মতো আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির ঝুঁকি কমে যাবে।
আজ দুপুরে রাজশাহী নগরীর বর্ণালী মোড়ে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ভিসার আবেদন করতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং সেবার পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার জানান, ভিসা কেন্দ্রের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে কি না এবং আবেদনকারীরা কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কি না, তা দেখতে তিনি নিয়মিত পরিদর্শনে আসেন।
তিনি বলেন, আজকের পরিদর্শনও তার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। পরিদর্শনে তিনি বিশেষ কোনো সমস্যা দেখতে পাননি। তবে আবেদনকারীদের চাপ সামলাতে ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়মিত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিড় ব্যবস্থাপনা সহজ কাজ নয়। এ জন্য নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হয়। একই সঙ্গে সেবা নিতে আসা মানুষ যাতে অযথা ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
দালালদের বিষয়ে সতর্ক করে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার বলেন, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দালালদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে।
ভিসা আবেদনকারীদের কোনো এজেন্ট বা দালালের ওপর নির্ভর না করে নিজেরাই নির্ধারিত সময়ের স্লট বুক করার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
মনোজ কুমার আরও বলেন, দালালরা আবেদনকারীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে আবেদন করলে কাগজপত্র-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকে।
তিনি সেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা, আবেদনকারীদের চাপ সামলানো এবং কার্যকর ভিড় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো গেলে আবেদনকারীদের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন