প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের কাছে আইনি সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হয়।
মন্ত্রী মন্তব্য করেছেন যে, প্যারালিগ্যাল সেবার নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত আগামী দিনের কার্যক্রমের জন্য স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ক্ষেত্রে সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোকে (এনজিও) একত্রে কাজ করতে হবে।
শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা বিনির্মাণে প্যারালিগ্যাল অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মাইকেল ক্রেজজা এবং বাংলাদেশে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজসহ অন্যান্য অতিথিরা।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালত ও কারাগারের ওপর চাপ কমাতে প্যারালিগ্যালদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের জন্য আইনি সহায়তা আরও সহজলভ্য করা সম্ভব হবে।
এ উদ্যোগে সহযোগিতার জন্য জার্মান সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জিআইজেডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনি সেবা সহজীকরণ এবং প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এ যাত্রায় তাদের অব্যাহত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মেলনে প্যারালিগ্যাল সেবার ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে প্যারালিগ্যালদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, সরকার ও এনজিওর যৌথ অংশীদারত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সেবার মানদণ্ড নির্ধারণ এবং টেকসই অর্থায়নের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিচার বিভাগের প্রতিনিধি, লিগ্যাল এইড সংস্থা, নাগরিক সমাজ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া মালাউই, ফিলিপাইন ও কিরগিজস্তানের বিশেষজ্ঞরা তাদের দেশের বিচারব্যবস্থায় প্যারালিগ্যাল সেবা অন্তর্ভুক্ত করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন