প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের মস্তালীপুর গ্রামে সরকারি খাসজমিতে বসবাসরত এক ভূমিহীন নারীকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী নারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এলাকার প্রভাবশালী রুহুল-আলামিন গং ওই খাসজমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অসহায় ওই ভূমিহীন নারী হলেন রমিজা খাতুন (৬০)। তার স্বামী আনার আলী অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ভুক্তভোগী নারী গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামী পরিত্যক্তা রমিজা খাতুন প্রায় ২২ বছর আগে মস্তালীপুর গ্রামে সরকারি রাস্তার পাশে খাসজমিতে কুড়ে ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি সেখানে বসবাস করছেন। এ অবস্থায়, ওই ভূমিহীন নারীর বসতবাড়ির পাশের প্রভাবশালী নুর মোহাম্মদের ছেলে আলামিন ও রুহুল আমিন গং খাসজমি জবরদখলের জন্য রমিজা খাতুন ও তার ছেলে রবিউলকে উচ্ছেদের অপচেষ্টা করছেন। গত সোমবার আলামিন গং রমিজা ও তার ছেলে রবিউলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাণভয়ে রমিজার ছেলে রবিউল পাশের চড়ইকোল গ্রামে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের রেখেছেন। বর্তমানে স্বামী পরিত্যক্তা রমিজা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যে কোন মুহূর্তে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে সরকারি খাসজমি দখল করে নিতে পারে আলামিন গং।
ভুক্তভোগী রমিজা খাতুন বলেন, ‘প্রতিদিনই আমাকে মেরে ফেলার ও বাড়ি ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি আজ (মঙ্গলবার) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। এছাড়া এই খাসজমি বন্দোবস্তের জন্য এসিল্যান্ডের কাছে বারবার আবেদন করেছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসেও আবেদন করেছি। কিন্তু আমাকে খাসজমি দেওয়া হচ্ছেনা। আমি এখন অসহায়। আমাকে এখান থেকে উচ্ছেদ করা হলে, আমি কোথাও যাবো, থাকবো কোথায়।’
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, ‘খাসজমি ভূমিহীনই পাবেন। কেউ এটা দখল করতে পারবেনা। কারা এটা করছে, আমি অবশ্যই বিষয়টি দেখবো।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন