প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কেট উইন্সলেট শৈশবে অতিরিক্ত ওজনের কারণে সহপাঠীদের দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন। তাকে ‘ব্লাবার’ নাম দিয়ে উপহাস করা হতো। সেই অপমান ও কঠিন সময় পেরিয়ে আজ তিনি হলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অস্কার, এমি এবং বিশ্বের বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন। পাশাপাশি, তিনি গড়েছেন কোটি কোটি ডলারের সম্পদ।
১৯৭৫ সালের ৫ অক্টোবর ইংল্যান্ডের রিডিং শহরে কেট উইন্সলেটের জন্ম। শৈশবকাল থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। তবে অতিরিক্ত ওজনের কারণে তাকে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি সহ্য করতে হয়েছে। এমনকি কঠোর ডায়েটের মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে। ছোটবেলার সেই অভিজ্ঞতা পরবর্তী জীবনে তার আত্মবিশ্বাস এবং মানসিক দৃঢ়তা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কেটের বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৯৪ সালে ‘হেভেনলি ক্রিয়েচার্স’ সিনেমার মাধ্যমে। তবে ১৯৯৭ সালে জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ তাকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর সঙ্গে জ্যাক ও রোজের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি রাতারাতি আন্তর্জাতিক তারকায় পরিণত হন।
এরপর একের পর এক প্রশংসিত চরিত্রে অভিনয় করে কেট উইন্সলেট নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেন। ২০০৯ সালে ‘দ্য রিডার’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার জয় করেন। পাশাপাশি, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এমি এবং একাধিক গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারও অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে কেট উইন্সলেট নানা অধ্যায় পার করেছেন। তিনি তিনবার বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং তার তিন সন্তান রয়েছে। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে সাফল্যের পাশাপাশি তিনি বিপুল সম্পদের মালিকও হয়েছেন। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৯০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
শৈশবের বুলিং ও অপমান থেকে শুরু করে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কার জয়, কেট উইন্সলেটের এই পথচলা কেবল সাফল্যের গল্প নয়, বরং প্রতিকূলতাকে জয় করে নিজের জায়গা তৈরি করার একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন