প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়া অন্যতম প্রতিশ্রুতি কৃষি ও উন্নয়ন বিষয়ে বাস্তবায়ন করলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৫ নম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়নকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করে '১৩ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদ' নামে একটি নতুন ইউনিয়ন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে। এ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত এলাকায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর স্বাক্ষরের মাধ্যমে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রক্রিয়া এসে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে কলাপাড়া উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। একই সঙ্গে উপজেলা এলাকায় রয়েছে দু’টি পৌরসভা এবং দু’টি থানা।
পুনর্গঠনের ফলে ৫ নম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়নটি বিভিন্ন মৌজার অংশ নিয়ে পরিচালিত হবে। নীলগঞ্জ, নবীপুর, কুমিরমারা, টুঙ্গিবাড়ীয়া এবং সোনাতলা মৌজার অন্তর্ভুক্ত মোট ২৫টি গ্রামে জনসংখ্যা প্রায় ২১ হাজার ৯৮০ জন।
অন্যদিকে, নতুন ১৩ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন গঠিত হয়েছে উমেদপুর, হাজীপুর এবং সোনাতলা মৌজার অংশ নিয়ে। এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ২৪টি গ্রাম, যেখানে প্রায় ২০ হাজার ৬শ’ মানুষের বসবাস রয়েছে।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মো. আবুল হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় নতুন ইউনিয়ন গঠন ছিল জনগণের অন্যতম প্রধান দাবি। নির্বাচিত হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন বাসস’কে জানিয়েছেন যে, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি জনগণের কল্যাণমূলক বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কাজ করছিলেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই নতুন হাজীপুর ইউনিয়ন গঠনের সরকারি গেজেট প্রকাশ হবে। একই সঙ্গে মহিপুরকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার কার্যক্রমও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে, কলাপাড়ার সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ৫৫ কোটি টাকার ব্যয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে।
সাইক্লোন শেল্টারের বিষয়েও তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শত কোটি টাকা ব্যয়ে বি-সেফ প্রকল্পের আওতায় দুটি নতুন সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ এবং ১২টি সেতু নির্মাণের প্রস্তাবও এখনো চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন