প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজারে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ‘শহীদ জিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে পৌর ২ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামদী বোদাই বেপারি বালু মাঠে এই আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। ফাইনাল খেলায় টিম টাইগার্সকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্থানীয় একতা স্পোর্টিং ক্লাব। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মোশারফ হোসাইন, যিনি বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন।
তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "তরুণ সমাজকে মাদক এবং সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই।" খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও শৃঙ্খলার মনোভাব গড়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, "খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শরীর ও মন ভালো রাখে।" চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সাংসদ এবং জেলা বিএনপির অভিভাবক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সাহেব চাঁদপুরকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে আয়োজিত এই 'শহীদ জিয়া কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
আলহাজ্ব মোশারফ হোসাইন আরও বলেন, "চাঁদপুর দেশের প্রাচীনতম একটি পৌরসভা।" যদিও এখানে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এই পৌর এলাকার মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন তেমন হয়নি। তিনি চাঁদপুর পৌরসভাকে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, "মানুষের দোয়া এবং ভালোবাসার চেয়ে বড় শক্তি আর কিছু নেই।"
তিনি বলেন, "আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসাই আমার চলার পথে প্রধান শক্তি। ইনশাল্লাহ যদি আল্লাহ আমাকে চাঁদপুর পৌরসভার হিসেবে কবুল করেন, তবে কথা দিলাম আপনাদের ভালোবাসার সর্বোচ্চ প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করব।" অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ খান, মরন হাওলাদার, আনোয়ার ছৈয়াল চুন্নু মিয়া, আনোয়ার লস্কর, নাসির বেপারী সহ এলাকার গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক কমিটির প্রতিনিধি আরমান চৌকিদার, আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্যরা অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন।
টুর্নামেন্টে মোট ১৬ টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনাল খেলার রেফারির দায়িত্ব পালন করেন টুমু। একতা স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষে নাজমুল ২ এবং আহাদ ২ গোল করেন, অপরদিকে টিম টাইগার্স ক্লাবের পক্ষে আওলাদ গোল করেন।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দল একতা স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়দের হাতে ২০ হাজার টাকা এবং রানার্স আপ দল টিম টাইগার্সকে ১০ হাজার টাকার প্রাইজমানি তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। ফাইনাল খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। প্রায় কয়েক হাজার দর্শক মাঠের চারপাশে দাঁড়িয়ে খেলা উপভোগ করেন, যেখানে প্রচুর নারী দর্শকও উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন