প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাইড্রেশন ব্রেকের আগেই দুটি দল মিলিয়ে ১৯ ফাউল করা হয়েছে। আর্জেন্টিনা ১২টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ডের ৭টির বিপক্ষে। প্রথমার্ধের পানি পানের বিরতির আগে ম্যাচের শারীরিক লড়াইটাই অধিক ছিল।
উভয় দলের কেউই লক্ষ্যে কোনো শট নিতে সক্ষম হয়নি। এমনকি কোন খেলোয়াড়কে শট নিতে দেখা যায়নি। দুই দল একে অপরের অর্ধে আক্রমণ চালানো সত্ত্বেও তারা কোনো সুবিধা অর্জন করতে পারেনি। উভয় দলের কিপারদেরও বড় কোনো পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়নি।
এই সময় আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল। তাদের প্রধান তারকা লিওনেল মেসিও তবে নিজের ছায়ার মতো ছিলেন। পানি পানের বিরতির আগে তার ফ্রি কিক জর্ডান পিকফোর্ড পাঞ্চ করে কর্নারে পাঠান। কর্নারেও আর্জেন্টাইন অধিনায়ক শট নেন। কিন্তু এনজো ফার্নান্ডেজ পিকফোর্ডকে ফাউল করায় সেটি কাজে লাগেনি।
৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক একটি জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক ঠেকাতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। দুই মিনিট পর, ইংল্যান্ডের ফাইনাল থার্ডে তিন চারজন খেলোয়াড়ের বাধার মুখে পড়েন মেসি। এলিয়ট অ্যান্ডারসন তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখান। ফ্রি কিক থেকে মেসির পাস ধরা ইংল্যান্ডের বক্স থেকে ফিরে আসা বলে শট নেন এনজো। ৩৯ মিনিটে তার শক্তিশালী শটটি অল্পের জন্য গোলবারের উপরে দিয়ে যায়।
তিন মিনিট পর, রজার্সকে পেছন থেকে টেনে ধরে হলুদ কার্ড পান লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন