প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষকের পড়ানোর পদ্ধতিকে বিটিভির খবরের সঙ্গে তুলনা করে তার অতীতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি ওই শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্তব্য করেন যে, "উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়।" শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
মনিরা শারমিন তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছেন। সেখানে গিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো অনুভব করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম এমনই হওয়া উচিত। তিনি বলেন, "বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাবছরের একটা ক্যালেন্ডার থাকে। সেই টাইমলাইনে আপনি দেখতে পাবেন, আপনার সেমিস্টার ফাইনাল কবে, কতদিনের মধ্যে রেজাল্ট দিবে, কবে থেকে সেমিস্টার ব্রেক ইত্যাদি।"
এনসিপি নেত্রী আরও লেখেন, "তিন মাস একটা করে সেমিস্টার। ফাইনাল পরীক্ষার সময় অথবা রেজাল্ট দেয়ার আগে একদিন টিচার ইভ্যালুয়েশন ফর্ম আমাদের ফিলাপ করতে হত। আমরা বলতাম, ওইদিন শিক্ষকদের পরীক্ষা।" তিনি বলেন যে, এই মূল্যায়নে তিন ধরনের প্রশ্ন থাকে। প্রথমত, শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান। দ্বিতীয়ত, প্রেজেন্টেশন পারফরম্যান্স। তৃতীয়ত, শিক্ষকের ক্লাসে পুনরায় আসার সুযোগ।
মনিরা শারমিন উল্লেখ করেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ার সময় অনেক ক্লাস আমরা করতাম শুধু উপস্তিতির ৫ নাম্বারের জন্য।" তিনি একটি শিক্ষকের কথা স্মরণ করে বলেন, "তার পড়ানোকে আমরা বিটিভির খবরের সাথে তুলনা করতাম।" তিনি আবারও যোগ করেন, "এই হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এই বিষয়টি জানেন, কারণ তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক হিসেবে কাজ করার সময় শিক্ষার্থীদের পেছনে ঘোরেন।
তিনি বলেন, "এটি হওয়া উচিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার মধ্যে থেকে। কিন্তু যতদিন এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হচ্ছে না, ডাকসুর উদ্যোগে হোক! খারাপ কি! অন্তত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ পাক!"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন