প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ ও কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘রটারডাম কনভেনশন’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির (অ্যাকসেশন) প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
আজ রোববার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে ‘রটারডাম কনভেনশন অন দ্য প্রায়র ইনফর্মড কনসেন্ট প্রসিডিউর ফর সার্টেন হ্যাজার্ডাস কেমিক্যালস অ্যান্ড পেস্টিসাইডস ইন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
১৯৯৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গৃহীত এই কনভেনশন ২০০৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিপজ্জনক, সীমাবদ্ধ ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ এবং কীটনাশকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি-রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও দায়িত্ব ভাগাভাগির কাঠামো তৈরি করা। বর্তমানে ১৬৭টি দেশ এই কনভেনশনের সদস্য।
বাংলাদেশ ও ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অন্যান্য সব সদস্য দেশ এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
কনভেনশনটিতে যুক্ত হলে বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে বৈদেশিক অর্থায়ন পেতে সহায়তা, রাসায়নিকের তথ্যভাণ্ডার তৈরি এবং এসব পদার্থের চলাচল অনুসরণে (ট্র্যাকিং) সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবে।
এছাড়া, কনভেনশনের তৃতীয় পরিশিষ্টে (অ্যানেক্স-৩) তালিকাভুক্ত রাসায়নিকের আমদানি বিষয়ে পূর্বানুমতিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও যৌথ দায়িত্ব পালনের সুযোগ তৈরি হবে।
কনভেনশনের ১৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকসংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক, কারিগরি, অর্থনৈতিক ও আইনি তথ্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বিনিময় করতে পারবে।
পাশাপাশি, ১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় কনভেনশনের সচিবালয় থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়ার সুযোগ পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন