প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ঈশ্বরদীতে কয়েলের আগুন থেকে উদ্ভূত একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শামিম হোসেন নামের একজন ব্যক্তির বসতবাড়ি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে।
এই ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে, উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের খারজানি এলাকায়।
ভুক্তভোগী শামিম হোসেন আবু বক্করের ছেলে এবং স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে শামিমের বাড়িতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে তারা ছুটে আসেন। প্রত্যেকে নিজেদের মতো করে পানি, বালু, মাটি নিক্ষেপ করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসকেও খবর দেওয়া হয়। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, গায়ের একটি পোশাকও পুড়ে যায়।
শামিম হোসেন জানান, রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল জ্বালিয়েছিলেন। হঠাৎ সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং গোয়ালঘরে আগুন লেগে যায়। পরে মুহূর্তের মধ্যেই বসতঘর, রান্নাঘরসহ পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং প্রতিবেশীরাও সাহায্যে এগিয়ে আসেন। ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে এর মধ্যেই পুরো বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে যায়। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, এতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ২টি সোনার গহনা, আসবাবপত্রসহ মোট ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে, তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে গোয়ালঘরে থাকা কয়েল থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে বসতঘর ও সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে শামিম হোসেনের পরিবার বর্তমানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি, এলাকার মানুষ সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও স্থানীয়দেরও পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন