প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ ট্রফি কখনোই ছোঁয়া হয়নি মেক্সিকোর, সর্বাধিক তারা খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত। অথচ যখনই বিশ্বমঞ্চের পর্দা ওঠে, উদ্বোধনী ম্যাচে বারবার দেখা যায় মেক্সিকো। এবারও যেমন বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে সবচেয়ে বেশিবার নামার রেকর্ড মেক্সিকোর দখলে, এ পর্যন্ত মোট আটবার। তাও কী আশ্চর্য, একবারও উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের মুখ দেখা হয়নি তাদের। যখনই ব্রাজিল বা জার্মানি উদ্বোধনী ম্যাচ খেলেছে, তারা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলেছে। অন্যদিকে, মেক্সিকো সেখানে অবধারিত সহযাত্রী হিসেবে অথবা স্বাগতিক হিসেবে খেলেছে।
আগের সাতটি উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের একটিও জয় নেই। এমনকি পরপর পাঁচবার উদ্বোধনী ম্যাচে খেলার রেকর্ড রয়েছে তাদের, কিন্তু কখনোই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুযোগ হয়নি। কখনো তারা ব্রাজিলের সাম্বার সামনে ভেসে গেছে, আবার কখনো সুইডেন বা ফ্রান্সের কাছে মাথা নোয়াতে হয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের পাঁচটি হার রয়েছে। সঙ্গে দুটি ড্রও রয়েছে, ১৯৭০ সালে ঘরের মাঠে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ০–০। এরপর ১৬ বছর আগে জোহানেসবার্গের সকার সিটি স্টেডিয়ামে ভুভুজেলার কানফাটানো আওয়াজের ভিতরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১-১ অবস্থায় খেলা হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরে আসছে এবং উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে আবার সেই মেক্সিকো। তবে এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন। মেক্সিকো এখন খেলছে নিজেদের চেনা মাঠে, প্রায় লাখো উন্মাদ সমর্থকের সামনে। এই ম্যাচের গুরুত্ব মেক্সিকোর কাছে শুধু বিশ্বকাপের পর্দা তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি দীর্ঘদিনের এক অস্বস্তিকর ইতিহাস থেকে মুক্তির মঞ্চ। আজ রাতের খেলায় আশা আর অনিশ্চয়তা খুব কাছাকাছি চলে আসবে। যখন গ্যালারিতে উঠে আসবে ‘মেক্সিকান ওয়েভ’, উদ্বোধনী আয়োজন যখন রঙ ও সুরে ভরিয়ে তুলবে আজকে, তখন মাঠে নামা মেক্সিকোর এগারো ফুটবলারের হৃদয়ে নিশ্চয়ই বাজবে অন্যরকম এক সুর। নিজেদের মাঠে, নিজেদের মানুষের সামনে তারা কি পারবে উদ্বোধনী ম্যাচের সেই পুরোনো অভিশাপ ভাঙতে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে নব্বই মিনিটের লড়াইয়ে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন