প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে মুসলিম আমেরিকান প্রার্থীদের সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে গেছে। মুসলিম নেটওয়ার্ক টিভির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে দেশে অন্তত ৫১ জন মুসলিম প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন কংগ্রেসের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বাকি ৩৯ জন অঙ্গরাজ্যের আইনসভা, কাউন্টি ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদে লড়ছেন। অধিকাংশ প্রার্থী ডেমোক্র্যাট দলের সদস্য।
মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করছে। সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ, যিনি একজন চিকিৎসক এবং ডেট্রয়েটের সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। নির্বাচিত হলে এল-সায়েদ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন।
প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে পরিচিত মুসলিম রাজনীতিকদের মধ্যে রয়েছেন ইলহান ওমর, রাশিদা তালিব এবং আন্দ্রে কারসন। এছাড়া, প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে মূল নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বেশ কয়েকজন নতুন মুসলিম প্রার্থী জায়গা করে নিয়েছেন।
তবে এবারের নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের ধর্মীয় পরিচয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মিশিগানের প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ‘জিহাদি’ বলে আক্রমণ করেছেন। ট্রাম্প এল-সায়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগও তুলেছেন। তবে এল-সায়েদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (কেয়ার) ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ২৬টি অঙ্গরাজ্যে নির্বাচিত মুসলিম কর্মকর্তাদের সংখ্যা অন্তত ২৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১১০ জন নারী।
এবারের নির্বাচনে মুসলিম প্রার্থীদের সাফল্য কেমন হয়, বিশেষ করে আবদুল এল-সায়েদ সিনেট নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়তে পারেন কি না, সেদিকেই ভোটারদের নজর। তাঁদের সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্ব আরও বৃদ্ধি করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন