প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙামাটিতে ১৩তম গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ এবং সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাঙামাটি শহরের রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (DIRI) সার্বিক সহযোগিতায় পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়।
মাইজভাণ্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন নায়েব সাজ্জাদানশীন ও দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ট্রাস্টি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ৪০টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাঙামাটি কেন্দ্রেও বিভিন্ন বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ থেকে ৮ম শ্রেণির এবং কারিগরি বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির প্রায় ৬৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক কেন্দ্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্র সচিব ছিলেন উত্তর নিশ্চিন্তাপুর নুর-ছাপা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহিম। হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পুরানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাসান উদ্দীন এবং সহকারী হল সুপার ছিলেন শহীদ আব্দুল আলী একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক মো. আলমগীর।
পরীক্ষা চলাকালে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) রাঙামাটি জেলা দায়রা শাখাসহ সদর ও বিভিন্ন শাখার সদস্যরা কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেন।
কেন্দ্রপ্রধান রনতোষ মল্লিক বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
কেন্দ্র সচিব মো. ইব্রাহিম বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।
হল সুপার মো. হাসান উদ্দীন জানান, পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা সন্তোষজনক ছিল। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের কয়েকজন জানায়, শ্রেণি উপযোগী প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে তাদের ভালো লেগেছে। বৃত্তি পাওয়ার পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ পেয়েছে তারা।
অভিভাবকরাও এ ধরনের আয়োজনকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী ও উৎসাহিত করার কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ সৃষ্টি এবং প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।
সকাল থেকেই রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র প্রাঙ্গণে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। পরে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা শেষ হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন