প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত রাতে ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনোর গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে স্পেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছালো স্প্যানিশরা। ২০১০ সালে তারা প্রথম এবং শেষবার বিশ্বকাপের সেমিতে উঠেছিল। ঐ আসরেই প্রথমবার বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ী হয়েছিল তারা।
২০০৬ সালে শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে হারের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা নয়টি ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে স্পেন। এর মধ্যে ৭টি ম্যাচে জয় এবং ২টিতে ড্র করেছে তারা। ড্র হওয়া দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে হারে স্প্যানিশরা। টাইব্রেকারে নির্ধারিত ম্যাচগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ড্র’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ফুটবলের সমস্ত প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তারা টানা ৩৬টি ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। ২৭টি ম্যাচে জয় এবং ৯টি ম্যাচে ড্র করেছে স্পেন। তাদের আগে ২০০৭-০৯ এবং ২০১৮-২১ পর্যন্ত দু'বার ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ছিল।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে, বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক নকআউট ম্যাচে জয়সূচক গোল করার রেকর্ডটি গড়েছেন মিকেল মেরিনো। গত ৬০ বছরের মধ্যে বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৮৭ মিনিটের পর দু’বার জয়সূচক গোল করেছেন তিনি।
বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক গোল করা স্প্যানিশ পুরুষ খেলোয়াড়দের তালিকায় বর্তমানে মেরিনোর নাম যুক্ত হয়েছে আলভারো মোরাতা ও ফার্নান্দো মোরিয়েন্তেসের পাশে।
এদিকে, সব ধরনের প্রতিযোগিতায় স্পেনের বিপক্ষে টানা ১২টি ম্যাচে জয়হীন রয়েছে বেলজিয়াম। এর মধ্যে শেষ ছয় ম্যাচে তারা পরাজিত হয়েছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে স্পেন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ও পাও কুবার্সিকে খেলিয়েছে। এর আগে ১৯৫৮ সালে ওয়েলসের বিপক্ষে ব্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন পেলে ও আলতাফিনি অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ ম্যাচটি খেললেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড়দের মধ্যে এটিই বিশ্বকাপে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড।
বিশ্বকাপের ৬৪৯ মিনিট গোল হজম না করার বিশ্ব রেকর্ডের মালিক স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর এখন স্পেন বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গোল করলো।
এর আগে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ সময় গোল হজম না করার রেকর্ডটি ছিল ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গারের দখলে। তিনি টানা ৫১৭ মিনিট কোনও গোল হজম করেননি।
এই আসরে এখন পর্যন্ত স্পেন ১১ গোল করেছে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ১১টি গোল করেছিল তারা। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের যে কোনো আসরে এটি স্পেনের সর্বাধিক গোল করার রেকর্ড। ২০১০ সালে বিশ্বকাপের জয়ের আসরে স্প্যানিশরা ৮ গোল করেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন