প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ আবাসিক বাসা। তবে সেই বাসার ভেতরেই গড়ে তোলা হয়েছিল ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনীর অবৈধ গুদাম। সীমান্ত দিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এসব প্রসাধনীর বড় একটি চালান জব্দ করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মোহাম্মদ কাউছার (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত সোয়া ১১টার দিকে নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের মূলহোতা ও কাউছারের আপন ভাই মো. আল-আমিন (৩৫) পালিয়ে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নেত্রকোনা শহরে অবৈধ পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী সরবরাহের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে শহরের সাতপাই এলাকায় বায়েজীদ আহমেদের মালিকানাধীন দোতলা বাড়ির একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ।
নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালানোর চেষ্টা করলে মোহাম্মদ কাউছারকে আটক করা হয়। পরে ওই বাসার মেঝে ও আলমারিতে তল্লাশি চালিয়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেখা বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী জব্দ করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে কেও কার্পিন বডি অয়েল, পন্ডস ব্রাইট বিউটি ক্রিম, ইমামী সেভেন অয়েল ইন ওয়ান, নবরত্ন অয়েল, ডোভ সিরাম বার সাবান ও পন্ডস স্যান্ডেল পাউডারসহ বিভিন্ন প্রসাধনী।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার কাউছার ও পলাতক আল-আমিনের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার উত্তর কাজলাপোতা এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে এসব প্রসাধনী এনে নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিলেন। লোকচক্ষুর আড়ালে রাখতে সাতপাই এলাকার ওই ভাড়া বাসাটিকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার কাউছারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আল-আমিনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন