প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ‘অপ্রত্যাশিত’ সম্পর্ক নিয়ে এবার বক্তব্য রেখেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘জিমি কিমেল লাইভ!’-এ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।
গত সপ্তাহে মেয়রের সরকারি বাসভবন ‘গ্রেসি ম্যানশন’-এ ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় মামদানির।
এই বৈঠকটি ৪৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ঘটেছে, যখন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্ক মেয়রের বাসভবনে গিয়েছেন। বৈঠকের পর ট্রাম্প মামদানির প্রশংসা করে মন্তব্য করেন যে, তিনি খুব ভালো কাজ শুরু করেছেন এবং সফল মেয়র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, এই বৈঠকটি অনেককে অবাক করেছে। কারণ মামদানি একজন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট (সমাজতান্ত্রিক দলনেতা), আর ট্রাম্প তার রাজনৈতিক সভায় সমাজতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করে থাকেন।
টেলিভিশন শো-তে সঞ্চালক জিমি কিমেল রসিকতা করে জানতে চান, ‘আপনাদের কি শুরুতেই ভালো জমে গিয়েছিল? নাকি প্রেসিডেন্টকে পটিয়ে নিজের দিকে টানার জন্য আপনি কোনো কৌশল ব্যবহার করেছেন?’
মেয়র মামদানি উত্তরে বলেন, ‘না ভাই, একদমই তা নয়। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার অনেক বিষয়ে বড় বড় মতবিরোধ রয়েছে।’
মামদানি জানান, তাদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল নিউইয়র্ক শহরের উন্নয়ন। তারা দুজনেই নিউইয়র্ক শহরকে ভালোবাসেন এবং আলোচনাটি শুধুমাত্র শহরের মানুষের স্বার্থে সীমাবদ্ধ ছিল।
কিমেল জানতে চান, তারা কি একে অপরকে টেক্সট বা মেসেজ করেন? মামদানি জবাবে বলেন, ‘হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে কথা বা বার্তা লেনদেন হয়। তবে সেটা সানিসাইড ইয়ার্ড আবাসন প্রকল্প এবং শহরের মানুষের কাছে কাজের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার বিষয় নিয়ে।’
কথোপকথনের এক পর্যায়ে কিমেল বলেন, ‘তাহলে ট্রাম্পকে এখনই আমাদের একটা সেলফি তুলে পাঠিয়ে দিন!’
মেয়র সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে বলেন, ‘জিমি, আমি তোমাকে ভালোবাসি ঠিকই, কিন্তু আমি নিউইয়র্কের মানুষের আবাসন বা থাকার ব্যবস্থাকে আরও বেশি ভালোবাসি।’
এভাবে মেয়র মামদানি স্পষ্ট করে দিলেন যে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্প-কিমেলের পুরোনো শত্রুতা নিয়ে টিভি শো-তে মজা করার চেয়ে নিউইয়র্কবাসীর জন্য কাজ আদায় করে নেওয়াটাই তার কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন