প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ মার্কিন মূলধারার গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনা করেছেন, সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
ভার্জিনিয়ার একটি মেরিন কোর ঘাঁটিতে সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেওয়া তাঁর বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ফোর্স’ ভাষণে পেন্টাগন প্রধান গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন আক্রমণাত্মক অবস্থান গ্রহণ করেন। হেগসেথ অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসের ভূমিকা ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমের তুলনায় অধিক পক্ষপাতদুষ্ট এবং বিভ্রান্তিকর।
হেগসেথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "একটি স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম অবশ্যই যেকোনো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক মিশন ও সৈন্যদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে হেয় করার এই দলীয় রাজনৈতিক সক্রিয়তা পুরোপুরি আমেরিকা-বিরোধী। এটি একটি অসুস্থ মনোভাব, যা জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা—সহজ কথায় এটি রাষ্ট্রদ্রোহ।"
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতির সমালোচনা এবং চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে রিপোর্টিংয়ের কারণে তিনি বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্য ও ইরান ইস্যুতে প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় দ্য ওয়াশিংটন পোস্টসহ একাধিক প্রধান গণমাধ্যমের ওপর পেন্টাগনের এই শীর্ষ কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হন। হেগসেথ দাবি করেন, মার্কিন গণমাধ্যম জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ না দেখে সংবাদ বা স্ক্যান্ডাল তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পেন্টাগন প্রধানের এই ধরনের বক্তব্য স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের স্বাধীন প্রেসের প্রতি কঠোর মনোভাবেরই একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। এর আগে পেন্টাগন থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকদের ওপর বেশ কিছু কড়া শর্ত আরোপের উদ্যোগও নেয়া হয়েছিল, যা নিয়ে দেশটির প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে পেন্টাগনের চরম দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
সূত্র: অ্যাক্সিওস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন