প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতকে পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। আধুনিক ডাস্টবিন ও ওয়াশ ব্লক স্থাপন করে সৈকতকে নিরাপদ এবং পর্যটকবান্ধব করা হবে। প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হবে সৈকত এলাকা।
সংশ্লিষ্ট দোকানগুলো যদি খাবারের মান, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোকানের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকলে সেটাও কমানো হবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে এসব কথা বলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। ‘নান্দনিক চট্টগ্রাম’ গড়ার কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
কর্মসূচির শুরুতে সৈকত এলাকায় একটি র্যালি বের করা হয়। পরে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সরকারি কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবক ও নাগরিকেরা ঝাড়ু হাতে সৈকতের ওয়াকওয়ে ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার করেন।
অভিযান চলাকালে জেলা প্রশাসক সৈকতের বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করেন।
দোকানগুলোর বর্জ্য কোথায় ফেলা হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চান তিনি। প্রতিটি দোকানের বর্জ্য নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার পাশাপাশি পর্যটকদের যাতে যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে হয়, সে বিষয়ে সচেতন করতে দোকানমালিকদের নির্দেশ দেন।
পরে জেলা প্রশাসক বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। তবে সৈকতের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের মান নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে প্রায়ই অসন্তোষ দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, সৈকতের পরিবেশ সুন্দর রাখতে আধুনিক ডাস্টবিন ও ওয়াশ ব্লক স্থাপন করা হবে। প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সৈকত এলাকা সাজানো হবে। একই সঙ্গে খাবারের মান, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট দোকানকে নোটিশ দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবেশবাদী সংগঠন ক্লিন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় নাগরিকেরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন