প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ার সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) প্রথম দফার আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষ জানিয়েছে, তিন দিনের এই আলোচনা ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় দফার বৈঠক আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে করার প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এলডিসি উত্তরণের পর রপ্তানি বাজার ধরে রাখা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশ এই চুক্তিকে কৌশলগত সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছে।
গত রবিবার শুরু হওয়া আলোচনা আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শেষ হয়। আলোচনায় ১৩টি ওয়ার্কিং গ্রুপ চুক্তির বিভিন্ন অধ্যায়ের খসড়া ও কাঠামোগত বিষয়গুলি পর্যালোচনা করে।
আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল পণ্য ও সেবা বাণিজ্য, রুলস অব অরিজিন, কাস্টমস সহজীকরণ, ডিজিটাল বাণিজ্য, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি ব্যবস্থা (এসপিএস), বাণিজ্যে কারিগরি বাধা (টিবিটি) এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই)। বিনিয়োগ ও মেধাস্বত্ব নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীন বলেছেন, "চুক্তিটি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন অর্থনৈতিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।"
মালয়েশিয়ার ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, "চুক্তি কার্যকর হলে প্রযুক্তি স্থানান্তর, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।"
মালয়েশিয়ার প্রধান আলোচক ড. রাশিদী সাঈদ এবং তার প্রতিনিধিদলকে অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জানানো হয়। দুই পক্ষই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ ও ‘উইন-উইন’ চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে চুক্তির সুফল পাওয়া চূড়ান্ত শর্তাবলি, শুল্কছাড়ের পরিধি, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা ও বাস্তবায়ন কাঠামোর ওপর নির্ভর করবে। দ্বিতীয় দফায় বিভিন্ন অধ্যায়ে মতপার্থক্য নিরসন এবং পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য অবস্থানে পৌঁছানো মূল চ্যালেঞ্জ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন