প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা ফারজানার এনটিআরসি সনদ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওই শিক্ষিকার এনটিআরসি সনদ ভুয়া বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সনদ পাঠানো হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসাটি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে সহকারী শিক্ষিকা ফারজানার সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আপনারা যে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন, সেটি সঠিক। আমি নিজেই ওই শিক্ষিকার সনদ যাচাইয়ের জন্য পাঠিয়েছি। কিন্তু এনটিআরসি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফারজানার সনদ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”
অধ্যক্ষ আরও জানান, বিষয়টি জানার পর মাদরাসার বর্তমান সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি)-কে অবহিত করা হয়েছে। পরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী রেজুলেশন করা হয়। এরপর গত দুই মাস ধরে ওই শিক্ষিকার বেতন বন্ধ রয়েছে।
তিনি বলেন, ফারজানা অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিন দিনের ছুটি নিয়েছেন। তবে ছুটি শেষ হওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত মাদরাসায় যোগদান করেননি।
অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম বলেন, “সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের মাদরাসাটি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। তাঁর কারণে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শিক্ষিকা ফারজানার ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন। পরে এনটিআরসি সনদ নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বক্তব্য না দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক যাচাই ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই সনদটির প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন