প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুলিশ এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সাঈদ হোসেন ওরফে নান্নু (৪২) উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের দারুল আবরার মাদরাসার শিক্ষক এবং মৃত আফফান ডাক্তারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৪ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে মাদরাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলাকালে শিক্ষক সাঈদ হোসেন কৌশলে শিশুটিকে মাদরাসার অফিসকক্ষে ডেকে নেন। অভিযোগ উঠেছে যে, পরে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে তাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার সহপাঠী ও স্থানীয় কয়েকজন নারী এগিয়ে আসেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জুব্বা ও পায়জামা হাতে নিয়ে অফিসকক্ষ থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে শিশুটি উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে শিশুটির মা তাতে রাজি না হয়ে গত ২০ অক্টোবর দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে ওই রাতেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, একটি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে মাদরাসায় অতিরিক্ত ক্লাস চলছিল। অন্য শিক্ষার্থীরা চলে গেলেও ওই শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। পরে শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দিলে মামলা নথিভুক্ত করা হয় এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন