প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুরির ঘটনা আড়াল করতে আত্মগোপনে থেকে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তার স্ত্রী থানায় স্বামীকে অপহরণের অভিযোগ করেছিলেন। তবে পুলিশের তদন্তে ভিন্ন তথ্য বেরিয়ে আসে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর তার বসতঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া প্রায় ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের ক্যামেরা ও সরঞ্জাম।
বুধবার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. রেদুয়ানুল হক। গত সোমবার লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের নাওঘাটা এলাকার আওয়ার পাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তিনি জানান, গত ৯ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ বাজারের মোস্তফা সিটি মার্কেটের প্রথম তলায় ‘ওয়েডিং ফটোগ্রাফি’ নামের একটি দোকান বন্ধ করে বাইরে যান মালিক বাবলু পাল। পরদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে দোকানে ফিরে তিনি দেখেন, স্লাইডিং গ্লাসের দরজার তালা খোলা। দোকান থেকে চুরি হয়েছে মূল্যবান ক্যামেরা ও সরঞ্জাম।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে ছিল তিনটি সনি আলফা-৭ মার্ক থ্রি ক্যামেরা, একটি সনি আলফা-৭সি ক্যামেরা, বিভিন্ন মডেলের আটটি ক্যামেরার লেন্স, দুটি ব্যাটারি ও একটি চার্জার। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য আট লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
এদিকে ঘটনার দুদিন পর ১২ অক্টোবর রেদুয়ানুলের স্ত্রী রেশমী আক্তার থানায় অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা অপহরণ করেছে।
পুলিশ জানায়, চুরি ও কথিত অপহরণের অভিযোগ দুটি পাওয়ার পর পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করা হয়। একপর্যায়ে মোস্তফা সিটি মার্কেটের ওয়েডিং ফটোগ্রাফি দোকানসহ আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চুরির ঘটনায় রেদুয়ানুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এতে তার অপহরণের অভিযোগ নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে রেদুয়ানুল চুরির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। চুরির ঘটনা আড়াল করে তদন্ত অন্যদিকে নিতে আত্মগোপনে থেকে স্ত্রীকে দিয়ে অপহরণের অভিযোগ করানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন