প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ**
চরমোনাই মাদ্রাসার আসন্ন বাৎসরিক মাহফিলকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বিঘ্ন যাতায়াতের ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। এ উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
সভায় আসন্ন মাহফিলকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত, জরুরি চিকিৎসাসেবা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় মাহফিল চলাকালে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির সমাগমকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনসাধারণের চলাচলে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিশেষ করে মাহফিলস্থল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি সভায় গুরুত্ব পায়। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আগাম প্রস্তুতি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখার ওপরও আলোচনা করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) মো. আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএমসহ বিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া বরিশালের সিভিল সার্জন, এসআরবি, ডিজিএফআই, এনএসআই, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধি এবং মাহফিল-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সমন্বয় সভায় মাহফিলকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল এবং জরুরি সেবার প্রস্তুতির বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়।
চরমোনাইয়ের বাৎসরিক মাহফিলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়টি এ সভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন