প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, খাদ্যপণ্য সরবরাহ ও শিল্প সহযোগিতার বৃদ্ধি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকে কৃষিপণ্য, সার, ভোজ্যতেল, ডাল, ছোলা, চিনি, ইউরিয়া এবং পাটসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সোমবার (২৯ জুন) শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে এ বৈঠক করেন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব পাকিস্তান (টিসিপি)-এর চেয়ারম্যান আসিম আজিম সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুন নাসের খান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকের সময়, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, দু’দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি মন্তব্য করেন, সরকারি এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ালে নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ, শিল্পায়ন এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সহায়ক হবে।
আসিম আজিম সিদ্দিকী জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশে চাল, ডাল, ছোলা, সার এবং ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আগ্রহী। একই সঙ্গে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের উচ্চমানের পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি জানান, সরকারি পর্যায়ে খাদ্যপণ্য বাণিজ্যকে সহজ করতে টিসিবি ও টিসিপি’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এটি স্বাক্ষর করা হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
বৈঠকে আরও জানানো হয়েছে, যেসব পণ্য সরাসরি রপ্তানি সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে সহযোগিতার প্রস্তাব পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল দিয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিদ্যমান নীতিমালা ও আইনগত কাঠামোর অনুসরণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম দ্রুত সক্রিয় করা, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল বিনিময় এবং কৃষি ও শিল্পখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন