প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন আজ। আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না হওয়ায় প্রতিবেদন জমার তারিখ কয়েক দফা পিছিয়ে গেছে। সর্বশেষ ২০ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আজ ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০ আগস্ট মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা সেদিন প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে মামলাটির তদন্ত করেছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৬ জানুয়ারি ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সংস্থাটি। অভিযোগপত্রে ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীসহ আরো কয়েকজনের নামও সেখানে উল্লেখ করা হয়।
তবে ডিবির ওই অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর মামলাটির তদন্তভার সিআইডির হাতে চলে যায়। ডিবির অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাদিকে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করা এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যও হত্যাকাণ্ডের অংশ ছিল বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণা শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকায় তার বহনকারী অটোরিকশা পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে গুরুতর আহত হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন