প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন জাহাজ মালিকদের’ তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধ চলাকালীন সাধারণ নাবিকদের জীবনকে চরম ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার জন্য এই মালিকরা দায়ী। তিনি সতর্ক করেছেন যে, পণ্য পরিবহনের জন্য জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে জাহাজ চালানোর ফলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ডমিঙ্গুয়েজ অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধের পরিস্থিতি সত্ত্বেও কিছু জাহাজ মালিক কেবল ব্যবসা ও মুনাফা সচল রাখতে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তারা বাণিজ্যিক জাহাজের সাধারণ নাবিকদের জীবন বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বাণিজ্যিক জাহাজের নাবিকদের যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়ার কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না।’
আইএমও প্রধান আরও জানান, বর্তমান সংকটকে আরো জটিল করে তুলছে কিছু মালিকের অপতৎপরতা। অনেক জাহাজ মালিক আইনি কড়াকড়ি ও নজরদারি এড়াতে জাল নিবন্ধন ও ভুয়া পতাকা ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করছেন, যা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ৬০০০ নাবিক আটকা পড়ে আছেন। ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বহু জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে এবং এসব হামলায় নাবিকদের প্রাণহানি ঘটছে। এই অবস্থায়, যেকোনো মূল্যে জাহাজ মালিকদের হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলার জন্য তিনি আকুল আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধে জড়িত সব পক্ষই আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা চালাচ্ছে। ফলে ঠিক কোন পক্ষ নির্দিষ্ট একটি জাহাজে আক্রমণ চালিয়েছে, তা শনাক্ত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই জাহাজ ও নাবিকদের পাঠানোর আগে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও নিরাপত্তার নিশ্চিত বার্তা পাওয়ার ওপর জোর দেন আইএমও প্রধান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন