প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত ‘স্টারলিংক’ ইন্টারনেটের গতির হ্রাসের জন্য মার্কিন সরকার ও তাদের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছেন স্পেসএক্স-এর প্রধান ইলন মাস্ক। নতুন গতিসীমা আরোপের ফলে ইউক্রেনের বেশ কিছু দ্রুতগামী অস্ত্রের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যা যুদ্ধক্ষেত্রের সামরিক অভিযানকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্পেসএক্স-এর পক্ষ থেকে স্টারলিংকের গতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল (১৬০ কিমি/ঘণ্টা)-এ সীমাবদ্ধ করা হয়। এই সীমাবদ্ধতার কারণে, এই গতির চেয়ে দ্রুতগামী অস্ত্র ও ড্রোনগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের আকাশসীমা রক্ষা এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন পরিচালনার জন্য এই ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ইলন মাস্ক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ‘স্টারশিল্ড’ সেবাটির মূল নিয়ন্ত্রণ মার্কিন সরকারের হাতে রয়েছে। তাই এর গতির বা ব্যবহারের যেকোনো বিধিনিষেধ মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং প্রেসিডেন্টের নির্দেশে নির্ধারিত হয়। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এটি প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখে দ্রুত সংযোগ চালুর অনুরোধ জানালেও, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন—কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের অব্যাহত হামলার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়াও, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ডিজেল চুক্তির পর জেলেনস্কি নিজেকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার শিকার’ বলে মন্তব্য করেন। চলমান এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই লন্ডনে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এবং রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জেলেনস্কি। সেখানে যুক্তরাজ্য স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা ড্রোন ধ্বংসে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পাশে থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন