প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিশরের মোহাম্মদ সালাহ এবং বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ তারকা কেভিন ডি ব্রুইনা, রোমেলু লুকাকু ও থিবো কুর্তোয়ার সামনে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এবার সম্ভবত গৌরবময় জয়ের শেষ সুযোগ উপস্থিত হয়েছে। তাদের গ্রুপ-জি’তে খেলতে নামার উদ্দেশ্য সেই লক্ষ্য।
এই দুই দেশের সঙ্গে গ্রুপ-জি’তে ফুটবল খেলবে নিউজিল্যান্ড ও ইরানও।
২০১০-এর দশকের শুরুতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বেলজিয়ামের তথাকথিত ‘গোল্ডেন জেনারেশন’-এর আবির্ভাব ঘটে। ইডেন হ্যাজার্ড, ভিনসেন্ট কোম্পানি, ডি ব্রুইনা, লুকাকু ও কুর্তোয়ার মতো তারকাদের নিয়ে গঠিত সেই দলটি দেশটির জন্য নতুন একটি যুগের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছিল। সত্যিকার অর্থে, এই দলটি প্রথম বড় কোনো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে।
কিন্তু ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর দল হওয়ার সত্ত্বেও, তারকাখচিত ওই দলের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন।
সেই প্রজন্মের মধ্যে বর্তমানে কেবল নাপোলি জুটি ডি ব্রুইনা ও লুকাকু বেঁচে আছেন, যাদের বয়স যথাক্রমে ৩৪ ও ৩৩। তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সী রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক কুর্তোয়া। তিনি গত বছর সাবেক কোচ ডোমিনিকো টেডেসকোর সঙ্গে বিরোধ মিটিয়ে দলে ফেরেন। এই বিরোধের কারণে কুর্তোয়া ইউরো ২০২৪-এ বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর বিদায় ম্যাচটি মিস করেছিলেন।
এই ত্রয়ী বুঝতে পারছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন বিশ্বকাপটি তাদের দীর্ঘদিনের আশা ও প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিয়ে কোনো শিরোপা জয়ের শেষ সুযোগ হতে পারে।
তবে বর্তমান বেলজিয়াম দলে প্রতিভার অভাব নেই। আমাডু ওনানা, চার্লস ডি কেটেলেয়ার, জেরেমি ডকু ও ইয়োরি টিয়েলেমানসের মতো খেলোয়াড়রা তাদের তারকা সতীর্থদের দারুণ সহায়ক শক্তি হয়ে উঠতে সক্ষম।
এদিকে, নিজ দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা সালাহ, যিনি বিশ্বকাপ চলাকালে ৩৪ বছরে পদার্পণ করবেন, নিঃসন্দেহে তুলনামূলক সংযত প্রত্যাশা নিয়েই টুর্নামেন্টে নামবেন। কারণ ২০১০ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো আফ্রিকান নেশন্স কাপ জয় করার পর থেকে মিশর আর কোনো শিরোপা জিততে পারেনি।
উত্তর আফ্রিকার দেশটির ইতিহাসে সেরা ফুটবলার হিসেবে ব্যাপকভাবে সালাহকে বিবেচনা করা হলেও, লিভারপুলের কিংবদন্তি সালাহ কখনোই মিশরের হয়ে বড় কোনো সাফল্যের স্বাদ পাননি।
২০১৮ সালে তার একমাত্র বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ কাঁধের চোটে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। সেই চোট তিনি ওই বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিলেন। এবারের আসরে তিনি খেলতে যাচ্ছেন ফিটনেস সমস্যা নিয়ে। এপ্রিলের শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়ার কারণে তার অ্যানফিল্ড বিদায় সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
এদিকে, ইরান টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। তবে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার জন্য তাদের প্রচেষ্টা অনেকটাই প্রশ্নের মুখে, কারণ তাদের আদৌ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড ওএফসি বাছাইপর্বের ফাইনালে নিউ ক্যালেডোনিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রীষ্মে তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন