প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পেশাগত নিবন্ধনের দাবিতে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা মহাসমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবর।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় পাঁচ হাজার ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা অংশ নিয়ে দ্রুত নিবন্ধনের দাবি জানান।
৪ বছর মেয়াদী ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই মহাসমাবেশ এবং পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন আইএইচটির ডেন্টাল অনুষদের শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় ৫ হাজার ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীগণ, বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন।
মহাসমাবেশে বক্তারা জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের একাধিক সিদ্ধান্ত এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ৪ বছর মেয়াদী ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নির্ধারিত কর্মপরিধির আলোকে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমাভাস)-এর মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পেশাগত নিবন্ধন প্রদান করা বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংগ organization's মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল তার বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্র নিজেই চার বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমা শিক্ষা চালু করেছে। এবং কি রাষ্ট্র কারিকুলাম ও প্রণয়ন করেছে, শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে, পরীক্ষা নিয়েছে, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে, সনদ দিয়েছে এবং সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে এই জনবল নিয়োগ ও দিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১০ টি কাজের উপর আমাদের কর্মপরিধিও নির্ধারণ করে দিয়েছে। অথচ, এই প্রশিক্ষিত জনবল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-এর পেশাগত নিবন্ধন এবং নির্ধারিত কর্মপরিধির আলোকে সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
ফলে হাজার হাজার প্রশিক্ষিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী কর্মসংস্থানের সংকট, পেশাগত বৈষম্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাছাড়া, উক্ত কোর্সের নামের সাথে সিলেবাসের অসংগতি থাকায় দেশের বাহিরে ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে বিভিন্ন বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
কোর্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় একাধিকবার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও অজানা কারণে সেটি আর আলোর মুখ দেখছে না।
বক্তারা আরো জানান, সমযোগ্যতা সম্পন্ন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টগণ বিএমডিসি আইন-২০১০ এর ১৫ ধারায় এবং ৫ম তফসীলে নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিএমডিসি আইন- ১৯৮০ এর ১৫(৩) ধারা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা না থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র জীবিকা নির্বাহের তাগিদে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী কে বিএমডিসি থেকে নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে, এমনকি অদ্যবধি পর্যন্ত তা নবায়ন পর্যন্ত করা হচ্ছে।
অথচ, ৪ বছর মেয়াদী ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯, ২৬, ২৭ ও ৪০ এর পরিপন্থী। আমরা সরকারের কাছে আশা করবো, অনতিবিলম্বে বিএমডিসি আইন ২০১০ এর ৩৫ ধারার অনুকুলে তফশীল সংশোধন করতে হবে অথবা একই আইনের ৩৬ ধারার অনুকুলে ৪ বছর মেয়াদী ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নতুন বিধি প্রনয়ন করতে হবে।
সংগ organization's সভাপতি মোঃ মোশাররফ হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, এমট্যাবের মহাসচিব বিপ্লবুজ্জামান, সিঃ যুগ্ম মহাসচিব দবির উদ্দিন খান তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আইনুল হক সহ আরো অনেকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন