প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে পূর্ববর্তী কমিটির চার আলেমের মধ্যে দুজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ মাহদি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আলেমরা সবসময় মাইনাসের শিকার’ শিরোনামে একটি পোস্টে এ ক্ষোভের কথা জানান।
আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মাওলানা আশরাফ মাহদি ছাড়াও মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম আইনী এবং মাওলানা ইনজিমামুল ইসলাম ছিলেন। তাদের মধ্যে আশরাফ মাহদি কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক, সানাউল্লাহ খান কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), রফিকুল ইসলাম আইনী কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও ময়মনসিংহ বিভাগের অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক এবং ইনজিমামুল ইসলাম কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুনর্গঠিত কমিটিতে আশরাফ মাহদি কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক পদে বহাল রয়েছেন। সানাউল্লাহ খানকে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্ববর্তী কমিটিতে থাকা রফিকুল ইসলাম আইনী ও ইনজিমামুল ইসলাম নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
ফেসবুক পোস্টে আশরাফ মাহদি উল্লেখ করেন, ‘সংখ্যাটা চার থেকে দুইয়ে নেমে এসেছে। দুইজন মাইনাসের কারণ জানা নাই। আর যে দুইজনকে রাখা হল তাদেরও নামকাওয়াস্তে।’
তিনি আলেমদের আন্দোলনে ভূমিকা এবং সংগঠন গড়ে ওঠার পর তাদের অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘আপনার মাথায় টুপি আছে, শরীরে ধর্মীয় লেবাস আছে? আপনার কাজ শুধু আন্দোলনে রক্ত দেওয়া। আর সংগঠন মোটামুটি দাঁড় করিয়ে দিলে, আপনার সিরিয়াল নিচের দিকে নামতে থাকবে।’
ধর্মীয় ইস্যুতে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে আপত্তির প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন। আশরাফ মাহদি লেখেন, ‘ধর্মীয় ইস্যুতে আপনার কথাবার্তা নিয়েও ব্যাপক আপত্তি, যদিও আমরা মধ্যপন্থি। আমাদের লাগবে মিলাদ পড়ানোর হুজুর। রাষ্ট্র আর আইনে আবার ধর্ম কী? রাষ্ট্র গঠন কারা করবে, এসব আমরা বিদ্বানরা আমাদের ভাই ব্রাদারদের নিয়ে ঠিক করব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন