প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে মুসলিম খেলোয়াড়দের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান জানাতে ম্যাচসেরা (ম্যান অব দ্য ম্যাচ) পুরস্কার প্রদানের পদ্ধতিতে ফিফা পরিবর্তন করেছে।
এই বিষয়টি তখন উঠে আসে যখন মরক্কোর মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। ঐ ম্যাচে তিনি টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল করেন। কিন্তু যখন তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেন, তখন সেখানে প্রচলিত স্পন্সর ব্র্যান্ডিং দেখা যায়নি। সাধারণভাবে, পুরস্কারের ব্যাকড্রপ ও ট্রফিতে বিয়ার ব্র্যান্ড মাইকেলব আলট্রার লোগো পাওয়া যায়, কিন্তু সাইবারির ক্ষেত্রে সেটির পরিবর্তে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্র্যান্ডিংসহ একটি নিরপেক্ষ ডিজাইন ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া একই ধরনের উপস্থাপনা ব্যবহার করা হয়েছে আরো কয়েকজন খেলোয়াড়ের জন্য। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মিসরের ইমাম আশুর, জর্ডানের আলি অলওয়ান, ইরানের রামিন রেজায়িয়ান, কাতারের মাহমুদ আবুনাদা এবং আইভরি কোস্টের ইয়ান দিয়োমান্দে।
ফিফার একজন মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে বলেছেন যে, নির্বাচিত খেলোয়াড়ের অনুরোধে স্পন্সরবিহীন পুরস্কার ও ব্যাকড্রপ ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এটি অপ্রাপ্তবয়স্ক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
ফুটবলে অ্যালকোহল স্পন্সরশিপ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে মিসরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ি অ্যালকোহল স্পন্সরযুক্ত ম্যাচসেরা পুরস্কার গ্রহণে আপত্তি জানানোর পর ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।
গ্রহণকারী স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণরূপে বাতিল না করে, ফিফা এবার একটি সমঝোতামূলক পথ বেছে নিয়েছে। সংস্থাটি তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বজায় রেখেই খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসকে সম্মান জানাতে কাজ করছে। এর ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির বার্তাও আরো জোরালোভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন