প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে, একইসঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে দেন যে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প ওই প্রশ্নকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে ইরান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং সামরিক নেতৃত্ব ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
যদিও পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করেছেন, তবুও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট। ট্রাম্পের বক্তব্য, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সোমবার, মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এর পর ইরান জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে।
হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। সর্বশেষ পাল্টাপাল্টি হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও এলএনজি পরিবহনপথ হওয়ায়, সেখানে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি হতে পারে।
ট্রাম্পের অবস্থান এখন পরিষ্কার, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, কিন্তু ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতেও দেওয়া হবে না।
সূত্র: গালফ নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন