প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সবুজ বনভূমির নীরব পরিবেশে চারটি ফুটফুটে শাবক মায়ের সঙ্গে ছুটে বেড়াচ্ছে। কখনো মায়ের পাশে ঘেঁষে দাঁড়িয়ে, আবার কখনো একে অপরের সঙ্গে খুনসুটি করে কাটছে তাদের সময়। এই নতুন অতিথিদের আগমনে গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে প্রাণচাঞ্চল্য বেড়ে গেছে। দর্শনার্থীরা বিশেষ করে শিশুদের জন্য শাবকগুলো হয়ে উঠেছে বাড়তি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, গত এক মাসের মধ্যে কোর সাফারির হরিণ সাফারি এলাকায় নীলগাইয়ের চারটি শাবক জন্ম নিয়েছে। তবে শাবকগুলোর নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাদের জন্মের খবর শুরুতে প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে শাবকগুলো সুস্থ রয়েছে এবং নিয়মিত মায়ের দুধ পান করছে। মায়ের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি তারা নিজেদের মধ্যে খেলাধুলা ও খুনসুটিতে মেতে উঠেছে।
পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য নতুন শাবকগুলো আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। দূর থেকে ছোট ছোট শাবকগুলোর ছুটে চলা দেখতে ভিড় করছেন অনেকে। শিশু দর্শনার্থীরা নীলগাইয়ের শাবক দেখে দারুণ উচ্ছ্বসিত।
পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক মো. রাজু আহমেদ জানান, প্রায় এক মাস আগে কোর সাফারির হরিণ সাফারি এলাকায় মায়ের সঙ্গে নীলগাইয়ের শাবকগুলোকে দেখতে পান তাঁরা। শাবকগুলোর নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি। চারটি শাবকই সুস্থ রয়েছে। নিয়মিত মায়ের দুধ পান করছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। তবে এখনো শাবকগুলোর লিঙ্গ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. তারেক রহমান বলেন, কোর সাফারির দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা প্রথমে নীলগাইয়ের শাবক দেখতে পান। পরে পর্যবেক্ষণে চারটি শাবকের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। শাবকগুলো মায়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠছে। সদ্য জন্ম নেওয়া চার শাবকসহ বর্তমানে সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী জানান, শাবকগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সার্বিক পরিচর্যা ও দেখভালের বিষয়ে পার্ক কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের নিরাপদে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন