প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কাস ট্রেসকোথিক ইংল্যান্ডের বর্তমান পেস আক্রমণের চার সদস্য জফ্রা আর্চার, জশ টাং, অলি রবিনসন ও গাস অ্যাটকিনসনের মধ্যে ২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী দলের বোলিং ইউনিটের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন। সাবেক ইংলিশ ওপেনার ট্রেসকোথিকের মতে, বর্তমান পেসারদের স্টিভেন হার্মিসন, অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফ, ম্যাথু হগার্ড ও সাইমন জোন্সদের সঙ্গে তুলনা করা অযৌক্তিক নয়।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই টেস্টে বেন স্টোকসের অবসরের পর ইংল্যান্ড চারজন বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে মাঠে নেমেছিল। আর্চার, রবিনসন, অ্যাটকিনসন ও টাংয়ের দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বাগতিকরা দুই ম্যাচেই জয়লাভ করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা তিন ম্যাচের সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে। ট্রেসকোথিক বর্তমান চার পেসারের বোলিংয়ে বৈচিত্র্য এবং সক্ষমতার সঙ্গে দুই দশক আগের সেই পেস আক্রমণের মিল খুঁজে পেয়েছেন। ২০০৫ সালে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের ২-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ জয়লাভের পেছনে হার্মিসন, ফ্লিন্টফ, হগার্ড ও জোন্সের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
ট্রেসকোথিক নিজেও সেই অ্যাশেজজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে ইংল্যান্ডের নতুন টেস্ট কোচ স্টিভেন ফ্লেমিংয়ের অনুপস্থিতিতে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। তার অধীনে ইংল্যান্ড ২০২৪ সালের পর প্রথমবার কোনো টেস্ট সিরিজ জিতেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি ও লর্ডসে দলের জয়ে পেসারদের ভূমিকার প্রশংসা করে ট্রেসকোথিক বলেন, "দলে এখন অসাধারণ প্রতিভার সমাহার রয়েছে।" তিনি আরও মন্তব্য করেন, "২০০৫ সালের হার্মিসন, ফ্লিন্টফ, জোন্স ও হগার্ডের সঙ্গে বর্তমান পেসারদের তুলনা করা সহজ।"
তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে আমাদের চারজন পেসার ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত- এটা আমি উপভোগ করছি।" এর বাইরে আরও কয়েকজন বোলার আছে, যাদের তারা প্রস্তুত করে তুলছেন।
স্টোকস এবং সাবেক কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সময়ে ইংল্যান্ড মূলত গতিময় পেসারদের ওপর বেশি নির্ভর করেছে। তবে দুই বছরেরও বেশি সময় পর রবিনসনের টেস্ট দলে ফেরায় আক্রমণে আরও ভারসাম্য এসেছে বলে মনে করেন ট্রেসকোথিক। তিনি বলেন, "বর্তমান বোলিং আক্রমণে দারুণ বৈচিত্র্য রয়েছে।" দলের তিনজন পেসার ঘণ্টায় ৯২ মাইল গতিতে বল করতে সক্ষম। দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এমন অস্ত্রভাণ্ডার এবং আক্রমণে এই ধরনের শক্তি থাকা দারুণ ব্যাপার বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, পেসাররা যত বেশি একসঙ্গে খেলবেন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, ততই দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন।
এদিকে ২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক মাইকেল ভনও বর্তমান পেস আক্রমণ নিয়ে আশাবাদী। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এ প্রকাশিত এক কলামে তিনি লিখেছেন, "বড় কোনো সিরিজ জিততে পারলে বর্তমান বোলারদের তার সময়ের পেসারদের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।" ভনের ভাষায়, "এটা নিশ্চিত যে, তাদের দারুণ বিশেষ কিছু করার সামর্থ্য আছে এবং আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করতে পারে।"
আগামী বুধবার এজবাস্টনে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন