প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের হুইপ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল মন্তব্য করেছেন যে, গুপ্ত এবং ফ্যাসিস্টরা একত্রিত হয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। পার্শ্ববর্তী দেশে চলমান আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা ১৭ বছর ধরে রাজপথে থেকে এই চক্রান্তের মোকাবিলা করে আসছেন এবং ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রয়োজনে আবারও নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।
বুধবার দুপুরে খুলনায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালনের জন্য নগরীর বিভিন্ন মন্দিরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দিকনির্দেশনা দিতে মহানগর বিএনপি এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
প্রধান অতিথি রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করছে। শারদীয় দুর্গাপূজা সার্বজনীন রূপ ধারণ করেছে। ফলে সব ধর্মের মানুষের জনসমাগম ঘটছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকদের সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হবে।
হুইপ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে নতুন ধারার রাজনীতির সূচনা করেছেন এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশটাকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর এই প্রচেষ্টার জন্য বয়োজ্যেষ্ঠরা মন্তব্য করেছেন যে, নতুন একজন জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু পালিয়ে যাওয়া অপশক্তি দেশের উন্নয়ন বা মানুষের সুখ-শান্তি চায় না। এজন্য তারা নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
এবার দুর্গাপূজা সর্ববৃহৎ পরিসরে এবং জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে—এমন ঘোষণা দিয়ে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, খুলনা মহানগরের ৭৫টি মণ্ডপে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাজের তদারকি করা হবে এবং পূজা শেষে মূল্যায়ন সভা করে সেরাদের পুরস্কৃত করা হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন। সূচনা বক্তব্য দেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য ফাহমিদা হক। সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদীর সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, মাসুদ পারভেজ বাবু, ফখরুল আলম, সৈয়দা রেহানা ঈসা প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে শফিকুল আলম তুহিন জানান, ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং নগরের ৭৫টি মণ্ডপের প্রত্যেকটিতে দুজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। এ ছাড়া একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে, যা পূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।
এমই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন